গ্রাম্য বিয়ে >>> নজরুল ইসলাম। বাজ্ঞালী সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্ধ অংশ, যুগে যুগে কালে কালে পুরন হল বিংশ। নতুন যুগে পুরাণ কালের সেই ঐতিহ্যের সুখ শ্যামলা গায়ে মনে করায় গরীব বিয়ের মুখ। পালকি ছেড়ে গরুর গাড়ি, টকবগিয়ে ঘোড়ায়, রিক্সা ভেনে কাপড় মোড়ে বউ সেজেছে ধরায়। কোকিল ডাকা ভোরের পাখি গাইছে যখন গান, আয়োজনে বিয়ের পালকি পার হয় নদীর বান। বর যাত্রী সব হাটার গাড়ি উল্লাসে মন আজি, পৌছল এসে গাং পেরিয়ে লক্ষী বউকে খুজি। কলা গাছের গেইট আর বাশ বেতের ছানি, চুলার কালিতে রঙিন হল অতিথীর মুখ খানি। মেঘলা আকাশ গুড়ুম গুড়ুম ডাকে খড়ের চালে, আপ্যায়নে পেট ভরে যায় দেশি চাল আর ডালে। পান সুপারী সন্মানের, ঠোট লালে ঝরো হাসি, দেখলে জুড়ায় মন খানি তায় ভীষন ভালবাসি। গায়ের এমন বিয়ের প্রথা আজো আছে বটে, মেঠো পথের বাক দিয়ে বর, বউ আনিতে ছুটে। আলতা পড়ে চুড়ি ফিতায় রুপ করেছে ভার, চিবুক বেয়ে চোখের পানি পড়ছে বেয়ে তার। কাজী, মোক্তার,ইমাম এসে ধরল তাকে ঘিরে, কবুল শুনে দস্তখত নিল চলল আপন নীড়ে ।