Posts

Showing posts from February, 2019
যে জীবন চলে ছলে বলে সে জীবন তো জীবন নয়, আসল জীবন কবর দেশে ঈমান আমল হলে জয়।
খালি কলস বাজে বেশি ভরা কলস বাজে না, কাকের গায়ে ময়ুর পেখম কথায় চতুর কাজে না। মিষ্টি কথায় মন কাড়ে যে দৃষ্টিতা তার শুভ নয়, উচিত কথা তিক্ত হলেও হবে তোমার হবে জয়। চোরের ঘরে চোরের ...
আম্মা আব্বা ডাকতে চাই ভাই মাম্মী ডেডি নয়, একুশ করো মনে লালন বাংলা ভাষার জয়। ক্ষয়ে ক্ষয়ে যাচ্ছে ক্ষয়ে
দগ্ধ লাশের উপর মায়ে খুঁজছে ছেলের লাশ, জীবনটা ভাই নয় কিছু নয় ক্ষণিক পরেই লাশ,

২০৭. ফড়িং পাখি

ফড়িং পাখি ___ নজরুল বিন রশিদ রাজার দিঘির ঐ পাড়েতে সান বাধানো ঘাটলায়, কিছু পাখি রোজ দেখা যায় কলমি ফুলে ঝাপটায়। কতক বসে ঘাসের উপর ফুড়ুৎ ফুড়ুৎ উড়ে, তেতুল তলায় গরু বাধা বসে তাহার ...

আমার দেশ

এই আমার দেশ। সবুজে ঘেরা, ডুবা পুষ্কুনী, দিঘীর জল, পাতিহাসের দল। বাড়ির পাশে ধান ক্ষেত, ঘাস ফড়িং খেলা। দূর্বা ঘাসের উপর সকালে শিশিরের ফোটা। জলমল হাসি। এই আমার দেশ রুপের নেইক...

ভাল লাগার সারাক্ষণ

ভাল লাগে ভাটির দেশে উজান নায়ে চড়ি, ভাল লাগে তোমার সাথে

২০৫. আল মাহমুদ

আল মাহমুদ ___নজরুল বিন রশিদ তিতাস পাড়ে ভীড় জমেছে কালো মেঘের দল, অঝোর ধারায় কাঁদছে সবাই দেখবে রে ভাই চল। নায়ের মাঝি সুর তুলেছে আল্লাহ নামের গান, পাখির কাছে ফুলের কাছে কবির সতে...

কইয়া দেমু

চেরাগ আলী আম এক হালি নিয়া গেছে চুরি কইরা, ক্রেতা হইয়া ফ্রি খাইতে চায় পুলিশ নিয়া যায় ধইরা। চেরাগ আলী মামলা দিয়া খাইছে ধরা নতুন আইনে , আমের ভিতর বিষ মিশাইলে ধইরা দিল পুলা পাইন...

২০৬. ফাগুনের আগুন

ফাগুনের আগুন ___নজরুল বিন রশিদ পরাণে মোর বাজিছে আজি ফাগুনের মৃদু ধ্বনি, গুন গুন রবে ভ্রমর গাহিল পুষ্প সুখের খনি। কুসুম কলি দুয়ার খুলি বসিছে প্রিয়ার বাটে, রৌদ্রদগ্ধ প্রেমি...
নীতিহীন দেশে নীতি কথা মূল্যহীন

চোর

দৃশ্যপটে নেই কিছু আজ নেই কিছু আজ শেখার, সৃষ্টিজগত ধুল ভরাটে স্বচ্ছ নেই আজ দেখার। জগৎ মাঝে কালের পিঠে উঠছে সবই কালো, শুভ্র সকল পা-ধানিতে নেই যে কোথাও আলো। মহা মহান জ্ঞানীরা ...

ও মা তোমার ছেলে

কবিতার গল্প

২০১.সুরমা নদী

সুরমা নদীর ___নজরুল বিন রশিদ গত বছর ঘুড়তে গেলাম সুরমা নদীর পাড়, স্বচ্ছ জলে বইছে হাওয়া তীর দু'খানা তার। নায়ের মাঝি গাইছিল গান প্রাণে দিল দোলা, গভীর প্রেমে নদীর সনে ছিলাম আত্নভূলা। একটু খানি হেটে দেখি পাড়ে গাছের সারি, নায়ের মাঝে বেদে বহর ঘর বেধেছে তারই। পাখিগুলো গাইছিল গান পানকৌড়ি জল ফেলে, হরেক রকম মাছের খোজে ঘুরছিল সব জেলে। সবুজ ছিল বৃক্ষরাজি ঘাসফড়িং এর বন, কাশফুলে তার ছেয়েছিল সুখেই ছিল মন। জেলে বধু নাইতে গিয়ে সুর তুলেছে গায়, রঙ্গিন পুটি টোপর মাথায় নুপুর দিল পায়। ছেলে মেয়ের হৈ হুল্লুরে জলের সাথে মিল, নদী ও দেশ সুখের খেলায় ভরাট ছিল দিল। বছর পরে গিয়ে দেখি ছুমন্তর-ছু করে, পালটে গেল সুরমা নদী প্রানটা গেল মরে। আবর্জনায় ভরিয়ে দিছে জলের ভেতর মল, বিষের ছোয়া সারা দেহে নিমেষ কালো জল। গ্রাস করেছে তীরের উপর মানুষ দলে দলে, মানুষ তো নয় জন্তু কিছু বসছিল তার ডালে। রচনাকালঃ০৬/০২/২০১৯ ইং

২০২. তুমিই জিতবে

জীবন পথে আসলে বাধা বিপদ যদি আসে সদা ভয় করো না কিছু, সব বাধাকে মনের বলে পাহাড় সম দুঃখ দলে ছুট জয়ের পিছু। মানুষ যদি বাহু বলে তোমায় নিয়ে খেলায় ছলে মনে রেখো জোর, দেখবে তারা ক্লান...