ভালবাসার সাতকাহন
ভালবাসার সাতকাহন
___নজরুল বিন রশিদ
দূরন্ত ছেলেটি তার মাকে সব সময় জড়িয়ে রাখে, বয়স বেড়েছে দিনে দিনে কিন্তু বাড়েনি বুদ্ধি-সুদ্ধি।
এইটা আমার কথা নয়, পাড়ার চাচি, মামী, আর বন্ধুরা তাকে বোকাই বলতো রীতিমত।
জয়নাল শামীম, নামের সাথে কেমন জানি একটা জয়ে জয়কার সুগন্ধ পাওয়া যায়। একদিন বড় হয়ে সকলের চোখের মনি হবে কে জানতো। বড় আক্ষেপে মাঝে মাঝে মনটা অনেক সংকুচিত হয়ে যায়, ভেতর থেকে মনে হয় সাত সাগরের পানি এক নিমেষেই খালি হয়ে যায়। খা খাঁ মরুভুমির প্রান্তরে বালুর যেন পানির আর্তনাদ শুরু হয়। এমনটা হয় কেবল তার 'মা' নেই বলে।
মায়ের ভালবাসা পাওয়ার জন্য বুকের ভেতর শুধুই হাহাকার করে, না বলা কথাগগুলো বুকের ভেতর জ্বালা বাড়ায়। মায়ের আচলে মুখ মুছে সুখের ছোয়া পাওয়া
আজ থেকে প্রায় তিন দশক আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক লাইব্রেরীর পাশে বসে বলেছিলাম আগামী ভালবাসা দিবসটাকে আমরা স্মরনীয় করে রাখবো।যথারীতি ১৫ দিনের মাথায় মা' র কাছে গ্রেফতার ও রিমান্ডে চোখ বন্ধ করে সব কিছুই অস্বীকার।
নিয়তির খেলায় তার এক মাস পরই * মা* আমাকে রেখে পাড়ি জমান পরকালে।তারপরতো আমিই আমার ভালবাসা।নেপালে ইউ এস বাংলার বিমানের মতো আছে কিছু চিহ্ন।আমি ছিলাম আমার মা* র জীবন- ভালবাসা,অস্তিত্ব।তার কারনেই হয়তো এখনো বয়ে চলছি জীবননৌকা,আছি সুখের বাগানে হয়তো বাচবো আরো কিছুদিন।কিন্তু মা* কে পারলামনা ভালবাসতে। আমার সন্তানেরা প্রশ্ন করে দাদু কেমন ছিল্্্্, ্্্্্,, কি উত্তর জানিনা,তবে চোখের পানি আটকাতে পারিনা।আমার প্রতিটি দিবস বলতেই শুধু মা আর মা এবং মা।
পরিশেষে " ভাল যদি বাসতে হয় মাকে ভালবাস"। মা' ই বদলে দেবে তোমার পৃথিবী যা কোন দিবস পারবেনা।আমায় মাফ করো মা।
Comments
Post a Comment