সাহস মিয়া
শহর থেকে একটু দূরে ধুলো বালির গায়ের ঘরে সাহস মিয়ার বাস,
বয়স তাহার পড়ছে নূয়ে কষ্ট রোজই যাচ্ছে বয়ে জীবন খেলার তাস।
সাহস মিয়া সাহস করে পিয়াজ রসুন পুরে পুরে
ছুটলো গায়ের পথে,
গায়ের কোমল মাটি ছেড়ে উঠল গিয়ে শহর পাড়ে
উঠল সবাই মেতে।
পরিশ্রমের গায়ে তাহার গড়বে সোনার ফসল এবার এই করেছে পণ,
বৃদ্ধ সাহস কেমন সাহস চিন্তা তাহার দিনে রাতে রাখবে কোথায় ধন।
ছেলেটা তার বোবা ছিল পাশ পুকুরে সাতার দিয়ে ভাসল দু'দিন পর,
সেদিন থেকে ছেলের শোকে সাত সাগরের মধ্য বুকে ভাঙল সুখের ঘর।
সারাদিন সে রিক্সা নিয়ে দুই এক পয়সা অর্থ দিয়ে গায়ে মাখে ধুলায়
কেউ জানে না সাহস মিয়ার দুঃখ গুছার নেই যে আহার সুখ পুড়েছে চুলায়।
গায়ের চামড়া ঢিলে হয়ে কেশে পাকন ধরল গিয়ে হাড় গুনা যায় বুকে,
বয়স শেষে ধরল শ্বাসে বিপদ দাঁড়ায় খুব যে পাশে মরছে ধুকে ধুকে।
সব হারিয়ে অবশেষে একলা ঘরে জ্বলে বিষে আল্লাহ বাচাও প্রাণ,
সাহস মিয়ার ক্লান্ত দেহে
কেউ থাকে না গরীব ঘরে আল্লাহ ছাড়া সবাই জোরে নিল বসত ভিটে,
সমাজপতি সমাজ সেবায় ফাদ পেতে সে গরীব কাদায়
Comments
Post a Comment