১৯১. ভাল থেকে তুমি
ভাল থেকো তুমি
___নজরুল বিন রশিদ
মনের আঙিনা জুড়ে, তোমার বিচরণ,
ক্ষণে ক্ষণে বেঁজে উঠে
অতীতের সুখের নূপুর।
কৃষ্ণমেঘের গভীরতায় আমার চারিপাশ
যখন আঁধারে ঢাকে,
তখন বড় বেশি ভাবি তোমাকে।
আমার কৃষ্ণপক্ষ
মুছে দেবার গভীর শুভ্রতা ছিলে তুমি,
পথ চলার অদম্য এবং অক্লান্ত ইচ্ছা,
দুঃখের রাজ্যে তুমি ছিলে
একমাত্র সুখ পায়রা।
যেখানে কবিতার হাজার শব্দাবলি
তেমাকে খুঁজে, খুঁজে বানানের পদাবলি,
কবিতার সে বানান ভুবনের শুদ্ধতা অশুদ্ধতায়
আমার কী এসে যায়?
মনের বানানে তুমিইতো
আমার বাংলা অভিধান।
যে অভিধান আমাকে কাঁপিয়ে তোলে বারংবার।
আমার অবচেতন মন বলে
তুমি আমার পৃথিবীর বুক থেকে
নেমে আসা হাজারো সুখের পাহাড়ি ঝর্ণা।
প্রকৃতির ছন্দময় ভালোবাসার আঁধার,
আমি তোমাকে নিয়েই হাজার বছর
পথ চলতে চেয়েছিলাম,
শুধু তোমাকে নিয়ে।
নিয়ত ভেবেছি তোমায়, তুমি আমার আকাশে
চন্দ্রালোক বয়ে এসেছো,
নিয়তির চাকা চক্র ঘুরে
আমাকে এক অন্য পৃথিবীর
আলোয় ভাসিয়ে নিতে।
তেমার চেতনা গুলো গভীর দীর্ঘশ্বাসে
বেদনা ছড়ালো আমার হদয়াঙ্গনে,
নিমেসেই নির্বাসন দিলেম তোমাকে
তোমার সুখের প্রাঙ্গনে।
সুখের পরে সুখে তোমার ভেসে যাওয়া
সেখানেই আত্নহুতি দিল আমার স্বপ্নেরা।
সীমাহীন বেদনার পাহাড় বুকে চেপে
নিজেকে নির্বাসিত করলাম
একবুক বেদনা বয়ে আমার ফিরে আসা
তোমার হৃদয়ে আমার রুপক
হাস্যজ্জল ছবি এঁকে।
তোমার মায়ার বাঁধনে বাঁধোনি বলে,
আমার বেদনা গুলো তোমাকে স্পর্শ করেনি।
সীমাহীন কষ্টের স্রোতে আহত এই আমি
বোকা কান্না কেঁদেছি অনেক।
এক বিকেলে সীমাহীন কান্নায় ভেসেছিলাম
রাজার দীঘি পাড় হয়ে নিস্তব্ধ দুপুরে প্রকৃতির বুকে।
তোমার প্রতিস্রুতি গুলো ভেবে।
বিচ্ছেদ বেদনার পাহাড় হাতড়ে যখন
সন্ধার আমন্ত্রনে নিমজ্জিত হয়েছি,
চারিদিকে ঘন আঁধার।
অন্ধকারের সে আতঙ্কে ভিজিনি আমি
হৃদয়ের লালিত সপ্ত সমুদ্রের জল,
উত্তপ্ত গলিত লাভা,
এনাকোন্ডার বিষ,
সব কিছুই হজম করেছি আমি।
প্রকৃতির আঁধার মূল্য গড়েনি হৃদ-সরবরে,
এখনো সেখানে নিয়ত ফোটে
স্মৃতির পদ্ম কুঁড়ি তোমারই ভাবনা ঘিরে।
আর আমি সেথা বসি বিনিদ্র প্রহর গুনি
তোমার ভালো থাকার ভাবনায় -
ভালো থেকো তুমি
অনেক ভাল থেকো।
Comments
Post a Comment