১০৩. তুমিহীনা ভালবাসা
তুমি একটা নিদারুন ব্যাথা,
বুকের বাম পাশটায় চিন চিন করে,
অহেতুক মনে করায় তোমার
প্রতারণা।
তুমি বলেছিলে গোলাপ দেখেছি কিনা,
হেসে বললাম,হে দেখিছি
তুমি বললে কাটা নিবে নাকি গোলাপ?
অহেতুক প্রশ্ন,কেউ কাটা নেয়!
কিন্তু আমি কাটাই পেলাম।
তোমাকে নিয়ে ছন্দ দিয়ে লিখতে গিয়ে,
কবিতার ভাব হারিয়ে ফেলি।
কাটার বিষাক্ত যন্ত্রনা অসহ্য!
হ্রদয়টা এমন ভাবে ক্ষত বিক্ষত হয়ে গেছে,
দেখাতে পারতাম যদি,
তবেই বুঝতে।
মন চায় তোমাকে কিছুটা কষ্ট দেই,
বুঝিয়ে দিতে চাই হ্রদয় ভাঙার যন্ত্রনা কতটুকু,
কল্পনায় থাকতেই আবার ফিরে আসি ভালবাসায়।
পারি না! কিছুতেই পারি না।
কি করে পারব বলো?
আমি যে তোমায়,
ভীষণ ভালবাসি, ভীষণ।
তোমার সাদা কাগজে মুড়িয়ে দেয়া সেই গোলাপটা আজও আছে,
একটু শুকিয়ে গেছে বটে,
ঘ্রানটাও নেই।
অনেক বার নাকের ডগায় নিয়েছে,
নাহ! পাই না।
শুধুই পলকহীন দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকি বিরামহীন ভাবে।
তখন,
তখন দু'ফোটা রক্তাক্ত নিষ্পাপ চোখের জল ভিজিয়ে দিয়ে যায় চিবুক বেয়ে,
গন্ডদেশ পর্যন্ত।
চোখের দু'ফোটা নোনা জল,
ভিজিয়ে সতেজ করতে চায় গোলাপটাকে।
জেগে উঠার আপ্রান চেষ্ট্রা।
বৃথা শ্রম।
তোমার কোমল চেহারাটা ভেসে উঠে চোখের সামনে।
একটা দীর্ঘশ্বাস নিয়েই আবার বুক বাধি ভালবাসার।
এই তো, তুমিহীনা আমার ভালবাসা।
ভাল আছি বেশ।
তুমিও ভাল থেকো।
অনেক বেশি ভাল থেকো।
অনেক!
ভাল থেকো তুমি।
Comments
Post a Comment