আশুরা
আশুরা
নজরুল ইসলাম।
আকাশ,বাতাস, পাহাড়-পর্বত গভীর সমুদ্র,
লাওহ-কলম সৃষ্টি সষ্ট্রার মহান আগ্রহ।
আদম (আঃ) কে সৃষ্টি করিয়া জান্নাত দিলেন তাকে,
দোয়া কবুল হল যে তার ক্ষমা প্রেম প্রীতি মেখে।
মুসা(আঃ)আসিলেন ধরায় অন্ধকারে আলো,
নীলনদে ফেরাউন ডুবিল মারিল জগৎ কালো।
তিমির রাত্রি বজ্র কন্ঠে দুরীভুত অন্ধকার,
বিশ্বনিখিলে শান্তির বীজ রোপনে অবদান তার।
অত্যাচারী_
আমি হাজির হয়েছে ধুলিসাৎ করিব তোমায়,
স্রষ্টার সাথে পাল্লা দেবে কে আছে এই ধরায়।
তুমি পাপিষ্ট,গুনাহগার বান্দাহ কুর্নীশে নত কর মাথা,
আল্লাহ এক মহান তিনি, বুঝিবেন এই ব্যাথা।
নীল নদ তাই হল আশ্রয় তোমার শেষ ঠিকানা,
যুগে যুগে কোন অত্যাচারী কেউ পার পাবে না।
হযরত ইব্রাহিম আগমন বসুধায় করিয়া জগৎ আলো,
দু'চোখের জল মুছো হে মুমিন চোখের পাতা খুল।
আইয়ুব (আঃ) বড়ই মছিবত থেকে উদ্ধার পেলেন আজ,
ঈসা (আঃ) আসিলেন ভুবনে সাজিয়া রজ্ঞিন সাজ।
বিশ্বনবীর কলিজার টুকরা ইসলামের মেঘদূত,
শান্তি প্রতিষ্টায় কালবালার প্রান্তরে হোসাইন শাহাদাৎ।
রক্তে লাল হল সেদিন কারবালা ধরনী হল নিশ্চুপ,
মানবতা হল খর্ব সেদিন আজও তুমি কেন চুপ।
ইমানের হাল ধরতে তোমার কেন এত মাথা ব্যাথা,
অতি সহসাই ধর যে কেবল বিশৃঙ্খল সব প্রথা।
মুক্তির বানী শান্তির বানী দিয়েছে তোমায় ইসলাম,
ইমানের তরী তুমি জড়াইয়া ধর, রাখ তাহার মান।
মহাপ্লাবনের করাল গ্রাস থেকে মুক্তি নুহ(আঃ)এর জাহাজ,
ইউনুস(আঃ)এর তওবা কবুল হল যে মুসলিম আজ।
হে মুসলিম-
সৃষ্টিকর্তার প্রার্থনা তুমি করো না বারে বার,
দুই দিনের এই ত্রিভুবনে ফিরিবে না তুমি আর।
সালাত কায়েম, রোজা রাখ, করো তুমি রোগীর সেবা,
লোভীয়া নও সকল সওয়াব, জান্নাত নাহি পাবা।
যুগে যুগে সেই কালের ঘড়ি বাজিবে যখন পরে,
তোমার দুঃখে এমন করিয়া কে বাচাবে পরপাড়ে?
একটু তেজে একটু ত্যাগে গাহ না ইমানের গান,
তুমি মুসলিম, তুমি শান্তি, সত্যে দাও না প্রান।
ইসলাম সেতো মুক্তা মনি, ধরো না তা'রে খুজি,
তুমিই হবে পুলসিরাত পার,তোমারেই আমি বুঝি।
বিশ্বে যত নবী রাসুল আসিয়াছে মুক্তির আলো ছড়ায়,
তাহারাই যে শান্তির বানী পৌছিয়াছে এই ধরায়।
তোমারি তরে প্রার্থনা মোর হে খোদা দয়াময়,
হ্রদয়ে মোদের পচন ধরিয়াছে অন্তরে দিও ভয়।
এই দিনেই হবে মহাপ্রলয়ের মহাধংসের রুপ,
কেয়ামতের সেই কঠিন রুপে ধরনী হবে নিশ্চুপ।
কবিতা কেমন লেগেছে জানাবেন
ReplyDelete