মহাশয়

               মহাশয়
             আশরাফুল
এক যে আছে মহাশয় আমার
নাম তার হল নজরুল স্যার,
তালিম আয়ুর এতটুকু রাহা
যার কৃপায় করিয়াছি পার।
ইংরেজীর যে অনুকণা মাত্র ------
কাজ করিতো না মোর মস্তকে,
এমন অনেক গ্রামার এবং বোল
শিখিয়েছেন তিনি আমাকে।

কখনো কখনো দুষ্ট মনে যখন
যেতাম মহাশয়ের বাটিকায় পড়িতে,
বাতায়ন দিয়ে চুপি-চুপি দেখিতাম
বর্ষণে বাছাদের জালে মীন ধরিতে।
খোশখেয়ালে হারিয়ে যাহিতাম
চিত্তে-মনে শুধু এই-অই ভেবে,
দিবসভর মৎস্য-মীন ধরিতাম
এই কুলের বাটিকা মোর হলে তবে।
ফের কদাচিৎ তা ও ভাবিতাম
মহাশয়ের কি আনন্দ,উল্লাস রে,
কোন কর্মে আবাস ত্যাগ করেই
রাজার ন্যায় ট্রাফিক অশ্বে চড়ে।
অপরিপক্ব নারিকেল ছটা যদি
পরতো মহাশয়ের ঘরের চালে,
অনুভূতি সর্ব অতীত হতো মোর
অসহ্য, নিদারুণ ঐ বদকালে।
উদাসী কোন মধ্যাহ্নে আবার
যদি থাকিতো মহাশয় সরণিতে,
সালাম দিয়েই ফের অগ্রে ছুটিতাম
নারিয়া কোন কথা বলিতে।
কখনো-সখনো মোবাইল করিয়া
দিতাম তারে কোন নবসমাচার,
মোর মর্ম থেকে পাওয়া ঐ সম্মান
এ ধরায় পাহিবার সাধ্য কাহার???

অদ্য রজনীতে ত্বরিত পেলাম
কোন ক্ষণে না পাওয়া সেই বীরত্ব,
কারণ মনে যে বার্তা বর্তমান
মহাশয় মোর পদ্যসাহিত্য মুগ্ধ।
কি কৃপা প্রকাশ করিবো মহাশয়???
ভেবেই না পাই কোন সাড়া,
প্রণয় মাখা উৎসাহ দিয়ে এখন
হলেন মোর চক্ষে গগনতারা।
স্রষ্টার তরে প্রার্থনা-উপাসনা
মহাশয়কে দাও বৃহত্তর আয়ুষ্কাল,
অন্তরে যে ছড়ানো-ছিটানো আছে
তাঁর জন্য অজস্র মানের জাল।

Comments

Popular posts from this blog

প্রার্থনা

ইচ্ছে মনির ইচ্ছে ঘুড়ি(শিশুতোষ কাব্য গ্রন্থ)